আজকের আসানসোল পুলিশ

 সাধারণ মানুষের পথে গাড়ি চালানো দূরহঃ হয়ে উঠেছে, পুলিশের কারণে।


বাংলার খবর, 10 জুলাই, আসানসোল: লাকডাউন একটু শিথিল হতে না হতেই সাধারণ মানুষের ঢল পড়ে যায় রাস্তা ঘাটে। আর তাতে আসানসোল পুলিশ তাদের প্রশাসনিক কাজ কর্ম শুরু করে দিয়েছে জোর কদমে। তার দিষ্টান্ত মিলল আসানসোলের চেলিডাঙা মোড়েে , গ্লাক্সি মলের সামনে।


চেলিডাঙা মোড়

পুলিশরা তাদের কাজ করতে শুরু করেছে।  গাড়ি ধর পাকড় শুরু করে দিয়েছে। পুলিশরা অনেক দিন পর গাড়ি ধরার সুযোগ পেলেন, তাই তাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে।

  সাধারণ মানুষেররা বিভিন্ন প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা যাওয়া আসা করছেন। কেউ সাইকেলে কেউ বা বাইকে। বাস না চালায় বা কম বাস চালক কারণে , অতিরিক্ত ভাড়ার দাপটে যাদের বাইক আছে তারা বাইক নিয়ে যাওয়া আসা করছেন। আর এই সুযোগে পুলিশ সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে চালু করেছেন। ব্যবসা বাণিজ্য বা চাকরির জন্য রোজগারের তাগিদে বাড়ির বাইরে প্রায় সকলকেই যেতে হচ্ছে। কেউ আবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাচ্ছে, তবু তাদেরও রেহায় নেই। আগে ডাক্তারের কাগজ পত্র দেখে পুলিশ ছেড়ে দিচ্ছিল, এখন সেও গুড়ে বালি। আর এই অসহায়তার সুযোগ নিয়ে পুলিশ নিজেদের পকেট ভারী করছেন।

পুলিশ ফাঁড়ি

   এই লকডাউনের কারণে হয়তো করু কারু ড্রাভিং লাইসেন্স বা অন্য কোন পেপার আপডেট করতে পারেনি অথবা আপডেট করতে দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখনও হাতে পায়নি, পুলিশ তবু নিজেদের ক্ষমতার জোরে সাধারণ মানুষকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলছে।

    পুলিশের থেকেও বেশি করে জোর ফলাচ্ছে সিভিক পুলিশরা। কথায় আছে না " বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়" , সেই রকম এদের। অবশ্য এদের এসব কাজ করার জন্য উপর থেকে হাত রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষকে মুখ বুঝে সব কিছু সহ্য করতে হয়।

    সাধারণ মানুষেররা এই ভাবেই দিনের পর দিন শোষিত বঞ্চিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যে প্রশাসনের কাছে বিচার চাইতে যাবেন সেই প্রশাসন যদি এমন করেন তবে সাধারণ মানুষ কি করবে। অসহায় সাধারণ মানুষ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ময়নাগুড়ি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুই যুবকের