পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জলমগ্ন আসানসোল শিল্প শহর

ছবি
একদিনের বৃষ্টির কারণে আসানসোল জলে ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। রাস্তা ঘাট থেকে শুরু বাজার এলাকা পর্যন্ত ডুবে আছে। নিজেস্ব প্রতিবেদন, ৩০সে জুলাই:  কাল বিকেল ৫টা ৪৫মিনিট থেকে যে ভাবে অবিরাম বৃষ্টি শুরু হয় তাতে পথ ঘাট ভরে যায়। এক জায়গা থেকে অপর জায়গা আসা যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠে। এলাকার চারিদিক জল মগ্ন হয়ে যায়। এই জলমগ্ন অবস্থার করুন রূপ নেয় আসানসোল শহর।    একদিনের বৃষ্টির কারণে আসানসোল জলে ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। রাস্তা ঘাট থেকে শুরু বাজার এলাকা পর্যন্ত ডুবে আছে। আসানসোল শহর আজ বৃষ্টি স্নাত হয়ে উঠেছে।     বৃষ্টি সকলেই ভালো লাগে। বৃষ্টি ভেজা প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রায় সকলের প্রিয়। কার না পছন্দ বৃষ্টি ও বৃষ্টি ভেজা পরিবেশ। বৃষ্টি স্নাত প্রাকৃতিক পরিবেশ গাছপালা দেখে সকলেই মুগ্ধ হয়ে উঠে। কিন্তূ এই বৃষ্টি যদি ভয়ঙ্কর ভয়াবহের রূপ নেয় তবে তার জন্য ভয়ে হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে উঠে।    তেমনি ভয়াবহের আবহের সৃষ্টি আজ। কাল বিকেল থেকে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ার কারণে আজ চারিদিক জলমগ্ন। যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। খুব মুশকিল হয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়া আসা করতে হচ্ছে লোক ...

উচ্মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী দের ক্ষোভ

ছবি
  উচ্মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের আশজনক নাম্বার না দেওয়ায় নিজেদের স্কুলে স্কুলে হরতাল।         নিজস্ব প্রতিবেদন: এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় সমস্ত ছাত্র ছাত্রী দের বিনা পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয় সরকার। কাউকেই ফেল করার নি, উপরন্তু অনেক বেশি বেশি নাম্বার দিয়ে পাশ করিয়ে দেয়। তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা খুব খুশি। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বেলায় সম্পূর্ণ উল্টো। উচ্চ নাম্বার দেওয়া হয় খুব কম পরীক্ষার্থীদের ।            অনেক পরীক্ষার্থীদের ফেল করিয়ে দেওয় হয়। যখন বিনা পরীক্ষায় রেজাল্ট দেওয়া হয় তখন সকলকে পাশ করানো উচিৎ ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি। বেশির ভাগ ছাত্র ছাত্রী দের কম নাম্বার দিয়ে পাশ করানো হয়। এতো কম নাম্বার দেওয়া হয় যে ধারণার বাইরে। তাই ছাত্র ছাত্রীরা অসন্তুষ্ট।       এদিকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সকলকে পাশ করিয়ে দেওয়ার কারণে সকল উচ্চমাধ্যমিক ক্লাসে ভর্তি হতে পারছে না। বেশির ভাগ ছাত্র ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা লাভ করতে অসমর্থ ভর্তির অভাবে। আর এদিকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা হতাশায় ভুগতে থাকে। সরকারের ও শিক্...

আসানসোল-গৌরান্ডী রুটের রাস্তার দেহাল দশা

ছবি
  পশ্চিম বর্দ্ধমান জেলার আসানসোল থেকে গৌরান্ডী রুটের রাস্তার বেহাল দশা দেখে যে কারু চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে যাবে। লালগঞ্জ মোড়     ২২শে জুলাই, আসানসোল: পশ্চিম বর্দ্ধমান জেলার শিল্পাঞ্চল শহর আসানসোল এবং তার আশেপাশের এলাকার রাস্তা ঘাটের যা অবস্থা তাতে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে যাওয়া আসা দূর্সাধ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তার মধ্যে এতো খান খন্ড তৈরি হয়েছে যে আস্ত পুকুর বললেও ভুল বলা হবে না। হাঁটু ভর্তি গর্ত, উচু নিচু এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা ঘটছেও।    এব্যাপারে প্রশাসনের কোনো হেল দোল নেই। এতো বেশি যান চলাচল করে, ধারণার বাইরে। ছোটো খাটো দুর্ঘটনা হামেশায় লেগে আছে। কলিয়ারির ডাম্পার গুলো প্রতি নিয়ত এমন ভাবে চলাচল করে যে সাধারণ মানুষের যাওয়া আসা ভায়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।      রাস্তার মধ্যে এতো বেশি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যে ছোটো খাটো পুকুর তৈরি হয়েছে। আর তাতে বর্ষার জল জমে থাকায় কতোটা গর্ত বুঝা যায় না, তাই ছোট ছোট যানবাহন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব যানবাহন বাইরে থেকে আসে বা এই রাস্তায় কম যাওয...

আজ জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা

ছবি
  বহুদিনের ইচ্ছা ও আসার আলো দেখছে ছাত্র ছাত্রীরা। 17th July, আসানসোল: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল আজ। দীর্ঘ দিনের আশা আকাঙ্খা পূর্ন হতে চলেছে। যেসকল ছাত্র ছাত্রীরা ভবিষ্যত নিয়ে সদা প্রাণবন্ত সেই সমস্ত ছাত্র ছাত্রীরা আজ খুশিতে আত্মহারা।      এক সময় তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে হতাশায় ভাবতে ছেড়ে দিয়েছিল। তারা তাদের ভবিষ্যত দেখতে পেয়ে খুব খুশি। এমন দিনটির জন্য তারা দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছিল। অবশেষে শুভক্ষণ উপস্থিত।      আজ জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। বিভিন্ন স্কুলে কলেজে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জীবনের প্রথম সাফল্যের চাবিকাঠি হল এই পরীক্ষা। আজ আবার ছাত্র ছাত্রীরা উজ্জ্বল ভবিষ্যত সম্পর্কে ভাবতে শুরু করেছে। খুব ভালো লাগলো।    সামাজিক স্তব্ধতার আবহে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ছাত্র ছাত্রী সহ অভিভাবকরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে খুশির জোয়ার বইছে। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীদের নিজস্ব এলাকার স্কুল কলেজ এর মধ্যে। তাই কারু কোনো তেমন অসুিধাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।      পরীক্ষা খুব সুষ্ঠ ভাবে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হচ্ছে। কারু কো...

এক মহিলা মাননীয় রতন টাটা এ কি বললেন

ছবি
বিশিষ্ট শিল্পপতি  রতন টাটাকে এক মেয়ে ছোটু বলে ডাকলেন। তা নিয়ে সোশাল  মিডিয়ায় ট্রোল পড়ে যায়।   মাননীয় রতন টাটা একজন বিশিষ্ট  সুনাম ধন্য শিল্পপতি ।তাকে নিয়ে হাসি মাসকারা তো দূরের কথা, আজাজিত কোনো কথায় বলা যায় না। তবু এক মহিলা কেন তাকে ছোটু বলে ডাকলেন? তারই উত্তর খুঁজে চলেছেন অনেকে।      কিন্তু এসবের পরও তিনি কিছুই মনে করে নি, বরং একটা সুন্দর উত্তর দিয়েছেন। তার উত্তর শুনে গোটা দুনিয়া মুগ্ধ। মহিলা কি বলেছেন আর মাননীয় রতন টাটা ই কি উত্তর দিয়েছেন তা জেনে নেওয়া যাক।      এক মহিলা যিনি মাননীয় রতন টাটা কে ছোটু বলেছেন, তিনি টুইটারে মাননীয় রতন টাটা কে ছোটু বলেছেন। তিনি টুইটারে রতন টাটা কে বলেছেন "শুভেচ্ছা ছোটু" । তাই নিয়ে নেট দুনিয়ায় troll পড়ে যায়। কিন্তু মাননীয় রতন টাটা কোনো কিছু মনে না করে, সেই মহিলার উত্তরে বলেন " প্রত্যেক মানুষের মনে একটু বাচ্চা ভাব লুকিয়ে আছে, আপনি তা আমায় মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তিনি আরো বলেন দয়াকরে ওনাকে কেউ নোংরা কোথা বলবেন না।" এই কোথায় মাননীয় রতন টাটার মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায়। ...

আজকের আসানসোল পুলিশ

ছবি
 সাধারণ মানুষের পথে গাড়ি চালানো দূরহঃ হয়ে উঠেছে, পুলিশের কারণে। বাংলার খবর, 10 জুলাই, আসানসোল : লাকডাউন একটু শিথিল হতে না হতেই সাধারণ মানুষের ঢল পড়ে যায় রাস্তা ঘাটে। আর তাতে আসানসোল পুলিশ তাদের প্রশাসনিক কাজ কর্ম শুরু করে দিয়েছে জোর কদমে। তার দিষ্টান্ত মিলল আসানসোলের চেলিডাঙা মোড়েে , গ্লাক্সি মলের সামনে। চেলিডাঙা মোড় পুলিশরা তাদের কাজ করতে শুরু করেছে।  গাড়ি ধর পাকড় শুরু করে দিয়েছে। পুলিশরা অনেক দিন পর গাড়ি ধরার সুযোগ পেলেন, তাই তাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে।   সাধারণ মানুষেররা বিভিন্ন প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা যাওয়া আসা করছেন। কেউ সাইকেলে কেউ বা বাইকে। বাস না চালায় বা কম বাস চালক কারণে , অতিরিক্ত ভাড়ার দাপটে যাদের বাইক আছে তারা বাইক নিয়ে যাওয়া আসা করছেন। আর এই সুযোগে পুলিশ সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে চালু করেছেন। ব্যবসা বাণিজ্য বা চাকরির জন্য রোজগারের তাগিদে বাড়ির বাইরে প্রায় সকলকেই যেতে হচ্ছে। কেউ আবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাচ্ছে, তবু তাদেরও রেহায় নেই। আগে ডাক্তারের কাগজ পত্র দেখে পুলিশ ছেড়ে দিচ্ছিল, এখন সেও গুড়ে বালি। আর এই অস...