আসানসোল-গৌরান্ডী রুটের রাস্তার দেহাল দশা

 পশ্চিম বর্দ্ধমান জেলার আসানসোল থেকে গৌরান্ডী রুটের রাস্তার বেহাল দশা দেখে যে কারু চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে যাবে।


লালগঞ্জ মোড়

   ২২শে জুলাই, আসানসোল: পশ্চিম বর্দ্ধমান জেলার শিল্পাঞ্চল শহর আসানসোল এবং তার আশেপাশের এলাকার রাস্তা ঘাটের যা অবস্থা তাতে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে যাওয়া আসা দূর্সাধ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তার মধ্যে এতো খান খন্ড তৈরি হয়েছে যে আস্ত পুকুর বললেও ভুল বলা হবে না। হাঁটু ভর্তি গর্ত, উচু নিচু এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা ঘটছেও।



   এব্যাপারে প্রশাসনের কোনো হেল দোল নেই। এতো বেশি যান চলাচল করে, ধারণার বাইরে। ছোটো খাটো দুর্ঘটনা হামেশায় লেগে আছে। কলিয়ারির ডাম্পার গুলো প্রতি নিয়ত এমন ভাবে চলাচল করে যে সাধারণ মানুষের যাওয়া আসা ভায়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     রাস্তার মধ্যে এতো বেশি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যে ছোটো খাটো পুকুর তৈরি হয়েছে। আর তাতে বর্ষার জল জমে থাকায় কতোটা গর্ত বুঝা যায় না, তাই ছোট ছোট যানবাহন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব যানবাহন বাইরে থেকে আসে বা এই রাস্তায় কম যাওয়া আসা করে তারা বেশি বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে।



    ছোটো ছোটো গাড়ি চালানো দূরহ হয়ে উঠেছে। এই রাস্তায় যাওয়া আসা করতে ভয় হয়। কিন্তু কোনো উপায় নেই এই রাস্তাটি আসানসোল- গৌরান্ডী এবং ঝাড়খণ্ড দুমক যাবার মুখ্য রাস্তা। বহু মানুষের যাওয়া আসার প্রধান পথ। 

   এই রাস্তা দিয়েই এই এলাকার এবং দুর থেকেও লোকজনের রুটি রুজির করার প্রধান রাস্তা। সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এই রাস্তা দিয়ে যেতে হবেই।



এই এলাকার লোকেদের কোথায় বার বার কমপ্লেন করা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি। কেউ মাথা ঘামায় না। তাই একরকম বিরক্ত হয়েই সাধারণ মানুষেরা বলা ছেড়ে দিয়েছে। অসহায় সাধারণ মানুষ এইভাবেই যাওয়া আসা করে।

বিশেষ করে আসানসোল থেকে গৌরান্ডী যাবার পথ এতো খারাপ, ধারণার বাইরে। এই রাস্তায় এতো বেশি যান চলাচল করে যে ছোটো খাটো গাড়ি নিয়ে চলে ভয় করে। সাইকেল নিয়ে যেতে তো দূরহ হয়ে গেছে। 



এই বিষয়গুলি প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সবাই সচেতন হোক।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ময়নাগুড়ি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুই যুবকের