WBP প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ও বেকারত্বের চিত্র
বেকারত্বের সংখ্যা দিনে দিন নজির করেছে।
পরীক্ষার্থীরা ট্রেনের অপেক্ষায়।
২৭সে সেপ্টেম্বর, বর্দ্ধমান, নিজস্ব প্রতিবেদন: লাখে লাখে পরীক্ষার্থীদের ভিড় জমে উঠেছে বিভিন্ন রেল স্টেশনে বাস স্ট্যান্ডে। নজির কাড়ার মতো ভিড় জমে ওঠে। ভ্যাকেন্সির লক্ষ গুন ক্যান্ডিডেড তবু যুবক যুবতী চাকরির দৌড়ে লাইন দিচ্ছে একটু আশায়।
বেশির ভাগই ছেলে মেয়েরা জানে যে পরীক্ষা দেওয়ায় হচ্ছে, তবু আশায় মন শান্তনার জন্যই পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। জীবনের নামই আশা। সেই আশা টুকু ভর করে চলতে হবে। বেচেঁ থাকতে হবে। জীবন বাজি ধরে চলতে হবে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেটাই অনেক বড় আশা। মানসিক শান্তি। যে যার নিজের পরীক্ষা সেন্টারে যাবার জন্য ব্যস্ত। ভিড় ঠেলে কোনরকমে নিজেকে ট্রেনে বাসে তুলতেই হবে। তবেই নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছাতে পারবে।
পরীক্ষা দিয়ে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে নিজের মনকে বলতে পরবে "যাক অন্তত পরীক্ষাটা তো দিতে পারলাম"। কতো দিন ধরে কোনো পরীক্ষা দেওয়া হয়নি, আজ তার অবসান ঘটল।
পশ্চিম বঙ্গের যেকোনো রেল জংশনে, শহর তলির বাস স্ট্যান্ডে শয়ে শয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দেখা যায়। এই ভিড় দেখে বোঝা যাচ্ছে যে বেকার যুবক যুবতীর সংখ্যা দিনে দিনে কতো বেড়ে চলেছে। জনগণের সংখ্যা বেড়ে চলেছে অথচ চাকরির সুযোগ কমে চলেছে। কিভাবে মানুষ জীবন ধারণ করবে।
প্রতি বছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় দশ বারো লক্ষ ছেলে মেয়ে পাশ করছে। আরো উচ্চ শিক্ষা তো আছেই। এতো ছেলে মেয়ে পাশ করে কি করবে! কোথায় যাবে! কাজের অবস্থা দিনে দিন শোচনীয় অবস্থা হয়ে উঠছে।
সরকারি চাকরি তো দূরের কথা, বেসরকারি চাকরি চাকরি পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে গেছে। আর বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে প্রাইভেট কোম্পানি গুলি কম পেমেন্ট দিচ্ছে। পোস্টিং বহু দূরে দিচ্ছে। তাও আবার এক্সপ্রিয়েন্স ছাড়া কাজ দেবে না। এক কাজ বলে অন্য কাজ করায়। এরকম অনেক কিছু ঘটছে।
কাজের সুযোগ সুবিধা তো নেই উপরন্তু ব্যবসা বাণিজ্য করার পরিবেশও নেই বললেই চলে। আর সবাই ব্যবসা করলে কিনবে কে বা কারা! এরকম অনেক প্রশ্ন থেকে যায়।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন