বালিয়াপুর মোড়ে দূর্ঘটনায় মৃত্যু

 ট্রাক ও বাইকের মধ্যে অ্যাকসিডেন্ট হয়ে মৃত্যু।

দুর্ঘটনায় করুণ পরিণতি, অসময়ে মৃত্যু।

২অক্টোবর, আসানসোল, নিজস্ব প্রতিবেদন: এক ভয়াবহ অ্যাকসিডেন্টে অকাল প্রাণ কেড়ে নিল এক নাবালিকার। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ এই দুর্ঘটনায় ঘটে। ট্রাক ও ডাম্পার গুলি এমন বাজে ভাবে চালায় যে কোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।



      আসানসোল থেকে গৌরান্ডী যাবার রাস্তায় এই নির্মম দূর্ঘটনা ঘটে। এই রুটের গাড়ি চালকেরা এতো বেল্লাপনা ভাবে গাড়ি চালায় যে ভাবা যায় না। রাস্তার পাশ দিয়ে কোনও বাইক বা সাইকেল বা কেউ হেঁটে যায়, তখন বড়ো গাড়ি পেরিয়ে যাবার সময় একেবারে গা সাটিয়ে চালায়। সেখানে রোডের মধ্যে দুই বড়ো গাড়ি অনাআসে চলতে পারে। যেন গাড়ি চালক কে বাইক, সাইকেল বা হেঁটে যাওয়া মানুষ চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে। এতো রাফ ভাবে চালায় ধারণার বাইরে।



       বালিয়াপুর মোড়ে এই চরম নির্মম দূর্ঘটনাটি ঘটে। বাইকের পিছনে বসে থাকা ছোট্ট মেয়েটির গুরুতর চোট লাগে। গাড়ির ধাক্কায় মোটরসাইকেল ছিটকে পড়ে যায়। মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা ছোট্ট মেয়েটিও ছিটকে পড়ে যায় ও ভীষন রকম আঘাত লাগে। গুরুতর আঘাতে ছোট্ট মেয়েটি কাতরাতে কাতরাতে শেষ পর্যন্ত মারা যায়।

       এতো বড় অসহনীয় গুরুতর দুর্ঘটনায় মৃত্যু বরণ করে অকাল প্রাণ হারান মেয়েটি। ভীষণ অমানবিক ঘটনা ঘটে।  ভীষণ রকম মর্মান্তিক ঘটনায় এক অকাল বোধন ঘটে। এক পরিবারের এক সন্তান , মা বাবার কোল উজাড় হয়ে গেল, বেল্লাপানা গাড়ি চালানোর জন্য।

    আর রাস্তার বেহাল দশা তো বলারই নেই। রাস্তার মধ্যে এতো খানা খন্ড যে জল জমে পুকুর হয়ে যায়। রাস্তার দুরবস্থার কারণে প্রায় দূর্ঘটনা ঘটে। কয়েক বছর আগে যে রাস্তা তৈরি করা হয় সেই রাস্তার এত দুরবস্থা ধারণার বাইরে।



       যে রাস্তার বেহাল দশায় হেঁটে যাওয়া দুর তো গাড়ি চালানো প্রায় অসম্ভব। তারপর বর্ষায় আরো বিপদ জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। 

     এমন দূর্ঘটনা যে কতো ঘটবে তার ইয়াত্তা নেই। গাড়ি চালকের রাফ গাড়ি চালানো ও রাস্তা ঘাট খারাপের কারণে কতো প্রাণ কাড়বে কে জানে। কখন রাস্তার উন্নতি ঘটবে তার অনিশ্চিয়তা থেকেই যাবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ময়নাগুড়ি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুই যুবকের

আন্ডালে প্লেন দুর্ঘটনার হতাহত

Amway আর্থিক ঘাপলা কোটি কোটি টাকা